ই-কমার্সের মাধ্যমে পাচার অর্থ উদ্ধার হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ই-কমার্স নিয়ে পৃথিবীর কোথাও কোনো আইন হয়নি, প্রায় সব দেশেই প্রতারণার ঘটনা ঘটছে। তবে বাংলাদেশে ই-কর্মাসের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে আইন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান। তিনি বলেন, ই-কমার্সের মাধ্যমে যাঁরা অর্থ পাচার করেছেন, তাঁদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে এবং পাচার হওয়া অর্থ অবশ্যই উদ্ধার করা হবে।

আজ রোববার সকালে প্রতিমন্ত্রী সচিবালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সভায় ই-কমার্স নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে প্রতারণা ও অর্থ পাচার সম্পর্কে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পকে৴ জানতে চাইলে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ক্লিনফিড নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মুরাদ হাসান বলেন, ‘এটা অব্যাহত থাকবে। অনেক সময় দেওয়া হয়েছে, তা–ও প্রায় পনেরো বছর, আর নয়। এভাবে চলতে পারে না। আমরা টাকা দিয়ে বিদেশি চ্যানেল দেখব, এমনকি বিজ্ঞাপনও, আর আমাদের দেশের টিভি চ্যানেল ফ্রি?’

ক্লিনফিড বাস্তবায়নে সব জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেওয়া আছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাঁরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন, জেল–জরিমানা করছেন। কোথাও আইনের ব্যত্যয় হলে তৎক্ষণাৎ আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

এদিকে আজ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস-২০২১ উপলক্ষে বিকেলে জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, অসম বিশ্বে মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য অপরিহার্য। বর্তমান বিশ্বের জন্য বড় সমস্যা হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্য। তাই মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলতে হবে, ভাবতে হবে, বুঝতে হবে, বুঝাতে হবে।

হেলথ টিভির চেয়ারম্যান মেজর (অব.) আবদুল ওহাবের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আর্মড ফোর্সেসের সাবেক কনসালট্যান্ট মেজর জেনারেল (অব.) মো. আবদুল আলী মিয়া, মানসের প্রতিষ্ঠাতা অরূপ রতন চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আজিজুল ইসলাম, মনিলাল আইচ, মামুন আল মাহতাব, নুজহাত চৌধুরী ও মোহাম্মদ হানিফ।

তথ্য সুত্রঃ প্রথম আলো।

;