বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রুপার মেডেল দেওয়ার সুপারিশ

 

মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার স্বীকৃতি হিসেবে দেশের সব বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রুপার মেডেল দেওয়ার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

রোববার (১০ অক্টোবর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সভাপতি শাজাহান খানের সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক, রাজি উদ্দিন আহমেদ, কাজী ফিরোজ রশীদ এবং মোছলেম উদ্দিন আহমদ অংশগ্রহণ করেন।

এ বিষয়ে কমিটির সভাপতি শাজাহান খান সাংবাদিকদের বলেন, সরকার সব বীর মুক্তিযোদ্ধাকে স্মার্ট আইডি কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা সুপারিশ করেছি আইডি কার্ডের পাশাপাশি তাদের ত্যাগের সম্মানসূচক একটি করে রুপার মেডেল দেওয়ার জন্য।

এ বিষয়ে সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বাধীনতা যুদ্ধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের অবদান স্মরণ করে প্রত্যেক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নিজ নিজ মুক্তিযোদ্ধা নম্বর সম্বলিত একটি করে রুপার তৈরি পদক প্রদানের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে সংসদীয় কমিটি মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের জমি সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বেশি বিক্রির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে বিশেষ অনুমতি নেওয়ার সুপারিশ করেছে।

এ বিষয়ে শাজাহান খান বলেন, কল্যাণ ট্রাস্টের অনেক সম্পত্তি পড়ে রয়েছে। আমরা এগুলো বিক্রি করে স্থায়ী আমানতের সুপারিশ করেছি। ওই সম্পত্তি যাতে বেশি দামে বিক্রি করা যায় সেজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সামারি পাঠিয়ে বিশেষ অনুমতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। শহরের প্রাণকেন্দ্রে যে জমিগুলো রয়েছে সেগুলো বড় কোনো কোম্পানির কাছে বিক্রি করা যায় কি না, সেটা দেখতে বলেছি।

এ বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কল্যাণ ট্রাস্টের অপ্রয়োজনীয় সম্পত্তি অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে বিক্রয়ের লক্ষ্যে যৌক্তিক মূল্যের বিবরণীসহ প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি সারসংক্ষেপ প্রেরণের সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশে স্থায়ী কমিটিকে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়। সারাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্মাণ করা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সগুলো কতটি শহরে এবং কতটি শহরের বাইরে অবস্থিত সে সংক্রান্ত তথ্য আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়।

তথ্য সুত্রঃ জাগো নিউজ।

;