সদস্য সংখ্যা কম হয়ে গেলেও ই–কমার্স নীতিমালা কার্যকর চায় ই–ক্যাব

সদস্যসংখ্যা কমলেও ই–কমার্স নীতিমালা কার্যকর চায় ই–কমার্স ব্যবসায়ীদের সংগঠন ই–কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই–ক্যাব)। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘অনলাইন কেনাকাটায় সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ দাবি জানায় সংগঠনটি।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি শমী কায়সার বলেন, দুই বছর ধরে অনেকের সঙ্গে আলোচনা করে ক্রেতা ও বিক্রেতার স্বার্থ বিবেচনায় রেখে ই–কমার্স নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। এটা কার্যকর করতে না পারলে ভবিষ্যতে ই–কমার্স ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি বলেন, ই–কমার্স নীতিমালা কার্যকর করতে গিয়ে সদস্যসংখ্যা ১৬০০ থেকে ১২০০ নেমে আসলেও ই–কমার্স নীতিমালা কার্যকর চায় ই–ক্যাব।

গত রোববার থেকে শুরু হওয়া ১০ দিনের অনলাইন কেনাকাটা উৎসবের আজ ছিল তৃতীয় দিন। এবারের উৎসবের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, ‘জেনে, শুনে, বুঝে-শপিং করুন অনলাইনে’। সম্প্রতি অনলাইন ব্যবসায় নানা ধরনের প্রতারণার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ক্রেতাদের অনলাইন কেনাকাটায় সচেতন করতে দেশের কিছু প্রতিষ্ঠিত ই–কমার্স প্রতিষ্ঠান ও ই–ক্যাবের উদ্যোগে এই প্রচারণা শুরু করা হয়। এতে অংশ নিয়েছে অনলাইন নিত্যপ্রয়োজনীয় বিক্রির প্রতিষ্ঠান চালডাল ও যা চাই, অনলাইনে বই বিক্রির উদ্যোগ প্রথমা ও রকমারি, ইলেকট্রনিকস পণ্য বিক্রেতা পিকাবু ও গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার। এ ছাড়া পাঠাও ফুডস, সেবা এক্সওয়াইজি, আজকের ডিল ডট কমসহ মোট ১৮টি প্রতিষ্ঠান এ প্রচারণায় একাত্মতা প্রকাশ করে।
চালডালের সহপ্রতিষ্ঠাতা জিয়া আশরাফ বলেন, আমরা ক্রেতাদের জানাতে চাই কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে পণ্য কেনা এবং প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা দুটি আলাদা বিষয়। কোনো পণ্য কেনা হলে ক্রেতার মৌলিক অধিকার হচ্ছে পণ্য বুঝে পাওয়া। প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ থেকে ক্রেতা যদি মুনাফা করতে চান, সেটার জন্য তাহলে সঠিক দলিলপত্রের মাধ্যমে চুক্তি করতে হবে। অন্যথায় ক্রেতার ঠকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে।’

অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, ই–ক্যাব চাইছে এসক্রো সার্ভিসের মাধ্যমে যেন পণ্যের কেনাকাটা হয়। এতে গ্রাহকের ঠকে যাওয়ার আশঙ্কা কমে যাবে। এ ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে এসক্রোতে আটকে যাওয়া টাকা কবে নাগাদ ক্রেতারা ফেরত পাবেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ই–ক্যাব জানায়, এ বিষয়ে সঠিক কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।

আজকের ডিলের প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম মাশরুরের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এটুআই একশপ ই–কমার্সের দলনেতা রেজওয়ানুল হক, পাঠাওয়ের প্রেসিডেন্ট ফাহিম আহমেদ, দেশীয় পোশাক বিক্রির ওয়েবসাইট আদির প্রধান পরিচলন কর্মকর্তা ফাতেমা বেগমসহ আরও অনেকে।
তথ্য সুত্রঃ প্রথম আলো।

;