ঈদের পর কঠোর বিধিনিষেধে বীমা অফিস খোলা থাকবে ১০-৩টা

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। এ বিধিনিষেধের মধ্যে শিল্প-কারখনা বন্ধ থাকলেও বীমা কোম্পানির প্রধান কার্যলয় ও গুরুত্বপূর্ণ শাখা অফিস সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

সোমবার (১৯ জুলাই) বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছ।

এর আগে গতকাল রোববার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট বীমা প্রতিষ্ঠানের সেবা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করতে আইডিআরএকে নির্দেশ দেয়।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব মো. জাহিদ হাসান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়। তাতে বলা হয়েছে, ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট বীমা/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সেবা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারির জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

অর্থমন্ত্রণালয় থেকে এমন নির্দেশনা আসার পরের দিনই কঠোর বিধিনিধেষের মধ্যে বীমা কোম্পানির অফিস খোলার সময়সূচি নির্ধারণ করে নির্দেশনা জারি করল আইডিআরএ।

আইডিআরএ-এর এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারের আরোপ করা বিধিনিষেধের মধ্যে দেশের আমদানি-রফতানির স্বার্থে ব্যাংকিং কার্যক্রমের পাশাপাশি বীমা সেবা প্রদান সংক্রান্ত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ব্যাংকিং কার্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের আমদানি-রফতানির কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখা, লাইফ বীমাকারীর মেয়াদপূর্তি ও মৃত্যু দাবি যথাসময়ে পরিশোধ, বীমা করা সম্পদ দুর্ঘটনায় পতিত হলে তার দাবি পরিশোধ ত্বরান্বিত করার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে সার্ভে কার্যক্রম পরিচালনা এবং স্বাস্থ্য বীমা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কার্যালয়, বাংলাদেশের বীমা খাত উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যালয়সহ বীমাকারীর প্রধান কার্যালয় ও কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ শাখা অফিস এবং সার্ভে প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে।

এক্ষেত্রে কিছু শর্তজুড়ে দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে—

> সীমিত সংখ্যক জনবল নিয়ে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করে ২৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত পর্যন্ত খোলা থাকবে।

> বীমা করা সম্পদ দুর্ঘটনায় পতিত হলে দ্রুত বীমা দাবি নিষ্পত্তির জন্য তাৎক্ষণিকভাবে সার্ভের প্রয়োজন হলে সীমিত সংখ্যক জনবল এবং কঠোর স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে সার্ভে কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে।

> স্ব-স্ব বীমাকারী/সার্ভে প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে আনা-নেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

> সকল ক্ষেত্রে বীমাকারী/সার্ভে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিষ্ঠান থেকে দেয়া পরিচয়পত্র আবশ্যিকভাবে বহন করতে হবে।

> বীমা সেবা অব্যাহত রাখতে দাফতরিক কাজে ভার্চুয়াল পদ্ধতি অবলম্বন অগ্রাধিকার দিতে হবে।

তথ্য সুত্রঃ জাগো নিউজ।

;